টাকা জমা দেওয়া বা তোলা নিয়ে আর ঝামেলা নেই। 1111beat-এ বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় পেমেন্ট পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করে মাত্র কয়েক সেকেন্ডে লেনদেন সম্পন্ন করুন।
1111beat-এ বাংলাদেশের সব জনপ্রিয় পেমেন্ট অপশন সাপোর্ট করা হয়
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা। পার্সোনাল ও মার্চেন্ট নম্বরে সরাসরি পেমেন্ট করুন।
ডাক বিভাগের ডিজিটাল লেনদেন সেবা নগদ। সহজে, নিরাপদে এবং দ্রুত ডিপোজিট করুন।
ডাচ-বাংলা ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং রকেটে দ্রুত ও নিরাপদ পেমেন্ট করুন।
যেকোনো বাংলাদেশি ব্যাংক থেকে BEFTN বা অনলাইন ট্রান্সফারে ডিপোজিট করুন।
1111beat-এ ডিপোজিট করা যতটা সহজ মনে হয় আসলে তার চেয়েও সহজ। বিকাশ দিয়ে ডিপোজিট করতে গেলে আপনাকে খুব বেশি কিছু করতে হবে না — শুধু মোবাইলে কয়েকটা ধাপ পার করলেই হলো।
অনেকে প্রথমবার একটু দ্বিধায় পড়েন — ঠিকমতো টাকা যাবে কিনা, দেরি হবে কিনা। 1111beat-এ এই বিষয়টা নিয়ে মাথা না ঘামালেও চলে। টাকা পাঠানোর সাথে সাথে ওয়ালেটে ঢুকে যায়, আর কোনো সমস্যা হলে লাইভ সাপোর্ট একেবারে তৈরি থাকে।
1111beat-এ লগইন করে "ওয়ালেট" বা "ডিপোজিট" বাটনে ক্লিক করুন।
বিকাশ, নগদ, রকেট বা ব্যাংক — যেটা সুবিধাজনক সেটা সিলেক্ট করুন।
কত টাকা জমা দিতে চান লিখুন। দেখানো নম্বরে মোবাইল ব্যাংকিং থেকে পাঠান।
পেমেন্ট সম্পন্ন হলে ট্রানজেকশন আইডি দিন। কয়েক সেকেন্ডে ব্যালেন্স যোগ হবে।
বেটিং বা ক্যাসিনোতে জিতলে সেই টাকা তোলার প্রক্রিয়াটাও অনেক সহজ। 1111beat জানে যে জেতার পর টাকা হাতে পেতে দেরি হলে সেটা বিরক্তিকর লাগে। তাই উইথড্রলের প্রক্রিয়া যতটা সম্ভব দ্রুত করা হয়েছে।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বিকাশ বা নগদে উইথড্রল অনুরোধ করার ৫ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে টাকা চলে আসে। ব্যাংক ট্রান্সফারে একটু বেশি সময় লাগতে পারে, সাধারণত ১–৪ ঘণ্টা।
ওয়ালেট সেকশন থেকে "উইথড্র" বা "টাকা তুলুন" অপশনে ক্লিক করুন।
আপনার বিকাশ/নগদ/রকেট নম্বর এবং উইথড্র করতে চাওয়া পরিমাণ লিখুন।
OTP বা পিন দিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করুন। এটা আপনার অ্যাকাউন্টের সুরক্ষার জন্য।
অনুরোধ প্রক্রিয়া হলেই মোবাইলে নোটিফিকেশন আসবে। বিকাশ/নগদে টাকা চলে যাবে।
সব পেমেন্ট পদ্ধতির বিস্তারিত তথ্য এক জায়গায়
VIP সদস্যদের জন্য উচ্চতর লিমিট প্রযোজ্য। বিস্তারিত কাস্টমার সাপোর্টে জিজ্ঞেস করুন।
প্রতিটি লেনদেন SSL এনক্রিপশনে সুরক্ষিত। আপনার আর্থিক তথ্য কখনো তৃতীয় পক্ষের কাছে যায় না।
ডিপোজিট বা উইথড্রলে 1111beat কোনো সার্ভিস চার্জ নেয় না। আপনি যা জমা দেবেন তাই পাবেন।
যেকোনো লেনদেন সমস্যায় বাংলায় লাইভ চ্যাট সাপোর্ট সবসময় প্রস্তুত।
বাংলাদেশে অনলাইন পেমেন্টের ক্ষেত্রে মানুষ সবচেয়ে বেশি যা চায় সেটা হলো ভরসা — টাকাটা সত্যিই যাবে কিনা, আর যাবে তো সময়মতো ফেরত আসবে কিনা। 1111beat এই ভরসার জায়গাটা তৈরি করতেই বেশি মনোযোগ দিয়েছে।
বিকাশে পেমেন্ট করার সময় অনেকে ভুল নম্বরে টাকা পাঠিয়ে দেন বা ট্রানজেকশন আইডি দিতে ভুলে যান। এই কারণে 1111beat-এর ডিপোজিট পেজে ধাপে ধাপে নির্দেশনা দেওয়া আছে। প্রতিটি ধাপে কী করতে হবে স্ক্রিনে দেখানো থাকে, তাই নতুন ব্যবহারকারীরাও সহজে করতে পারেন।
উইথড্রলের ক্ষেত্রে একটা কথা মনে রাখবেন — যে নম্বর দিয়ে ডিপোজিট করেছেন সেই একই নম্বরে উইথড্র করতে হবে। এটা নিরাপত্তার কারণে করা হয়েছে, যাতে অন্য কেউ আপনার টাকা তুলে নিতে না পারে।
1111beat-এ প্রতিদিন হাজার হাজার লেনদেন হয়। এত বড় পরিমাণ লেনদেন নিরাপদে সামলানোর জন্য উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। কোনো লেনদেন আটকে গেলে বা সমস্যা হলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সমাধান করা হয় — এটা 1111beat-এর প্রতিশ্রুতি।
নিরাপদ ও ঝামেলামুক্ত লেনদেনের জন্য যা যা দরকার সব আছে 1111beat-এ
বিকাশ, নগদ ও রকেটে পাঠানোর সাথে সাথে ওয়ালেটে ক্রেডিট হয়। কোনো অপেক্ষা নেই।
পেমেন্ট গেটওয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে লেনদেন যাচাই করে। ম্যানুয়াল অনুমোদনের অপেক্ষা নেই।
প্রতিটি ডিপোজিট ও উইথড্রলে মোবাইলে SMS কনফার্মেশন পাবেন।
সব ডিপোজিট ও উইথড্রলের সম্পূর্ণ ইতিহাস ওয়ালেট সেকশনে দেখতে পাবেন।
প্রথম ডিপোজিটে বিশেষ বোনাস পাবেন। নিয়মিত প্রমোশনেও একস্ট্রা সুবিধা থাকে।
প্রতিজন ব্যবহারকারীর একটিই অ্যাকাউন্ট থাকে। এটা সুষ্ঠু ও নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করে।
প্রথমবার ডিপোজিট করার আগে অ্যাকাউন্ট যাচাই সম্পন্ন করুন। মোবাইল নম্বর দিয়ে OTP যাচাই করলেই হবে। এরপর যেকোনো পদ্ধতিতে ডিপোজিট করতে পারবেন।
সাধারণত ৫–১৫ মিনিটের মধ্যে উইথড্র সম্পন্ন হয়। ব্যাংক হলিডে বা রাতে একটু বেশি সময় লাগতে পারে। ৩০ মিনিট পরেও না হলে লাইভ সাপোর্টে জানান।
নতুন ও পুরনো সদস্যদের সবচেয়ে কমন প্রশ্নগুলোর উত্তর
বিকাশে মাত্র ৳১০০ দিয়ে শুরু করুন। ডিপোজিট তাৎক্ষণিক, উইথড্র দ্রুত এবং পুরো প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ নিরাপদ।